Wednesday, October 7, 2026
Homeজাতীয়বন্দরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

বন্দরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক :

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেরার পথে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের লাঙ্গলবন্দে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাকসুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।  এ ঘটনার অভিযোগ কারিনী হলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাকসুদের সহধর্মিণী নার্গিস মাকসুদ।

তার অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপিপুত্র আবুল কাউসার আশা ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের একটি পক্ষ লাঙ্গলবন্দে তার ছেলে মাহামুদুল হাসান শুভর অফিসে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। এ সময় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারদের মারধর এবং পরে অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

নার্গিস মাকসুদ সাংবাদিকদের জানান, লাঙ্গলবন্দ এলাকায় তাদের নিজস্ব জায়গায় ছেলে মাহামুদুল হাসান শুভ একটি আধুনিক জিমনেসিয়াম গড়ে তুলেছিলেন। পরবর্তী সময়ে স্থানীয়ভাবে চাপ ও হুমকির কারণে জিমটি সরিয়ে নিতে বাধ্য হন তারা।

তার দাবি, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল জিমনেসিয়াম সরিয়ে না নিলে তাদের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মামলা করা হবে। পরে কোনো আইনি জটিলতায় না গিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে জিমের সব সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়া হয়।

তবে জিমনেসিয়াম সরিয়ে নেওয়ার পরও বিরোধের অবসান হয়নি বলে অভিযোগ করেন নার্গিস মাকসুদ। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে শুভেচ্ছা জানানোর পর ফেরার পথে এমপিপুত্র আবুল কাউসার আশা ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের একটি পক্ষ জোরপূর্বক তার ছেলে মাহামুদুল হাসান শুভর অফিসে প্রবেশ করে।

এ সময় অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি সেখানে কর্মরত ম্যানেজারদের মারধর করা হয় এবং পরে অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় নিজের পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নার্গিস মাকসুদ। একই সঙ্গে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নার্গিস মাকসুদের আরও অভিযোগ, তাদের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনদের বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। পেপার মিলের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত আলোচনার বিষয়টি আলাদা হলেও সেখানে অন্য পক্ষ কেন হস্তক্ষেপ করছে এবং তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কেন তালা দেওয়া হচ্ছে এ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে আবুল কাউসার আশা বলেন, ‘আমরা আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানাতে গিয়েছি। পরে কী হয়েছে, আমার জানা নেই।’

এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে লোকজনকে সরিয়ে নিয়ে এসেছি। কোনো ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে অবগত নই। অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সম্পর্কিত খবর

জনপ্রিয় সংবাদ